ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে বিএনপি নেতা ইশরাক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
  • / ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

পল্টন থানার নাশকতার মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন। পরে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (১৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস-সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন ইশরাক। মেয়াদ শেষে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন বর্ধিত করার আবেদন করেন ইশরাক। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বাড়ানোর আবেদন বাতিল করে দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে বিএনপির গত বছর ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন থানায় করা পৃথক মামলায় ২৯ ফেব্রুয়ারি আগাম জামিন নেন ইশরাক।

যা মঞ্জুর করেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদেশে ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আদালতে ইশরাকের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।

বিএনপির ওই মহাসমাবেশ ঘিরে ঢাকার চারটি থানায় করা পৃথক ১২টি মামলায় ইশরাক হোসেন ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান। পল্টন থানায় করা ছয়টি, রমনা থানার তিনটি, মতিঝিল থানার দুটি ও ওয়ারী থানায় করা একটি—এই ১২টি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে বিএনপি নেতা ইশরাক

আপডেট সময় : ১০:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

পল্টন থানার নাশকতার মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন। পরে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (১৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস-সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন ইশরাক। মেয়াদ শেষে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন বর্ধিত করার আবেদন করেন ইশরাক। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বাড়ানোর আবেদন বাতিল করে দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে বিএনপির গত বছর ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন থানায় করা পৃথক মামলায় ২৯ ফেব্রুয়ারি আগাম জামিন নেন ইশরাক।

যা মঞ্জুর করেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদেশে ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আদালতে ইশরাকের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।

বিএনপির ওই মহাসমাবেশ ঘিরে ঢাকার চারটি থানায় করা পৃথক ১২টি মামলায় ইশরাক হোসেন ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান। পল্টন থানায় করা ছয়টি, রমনা থানার তিনটি, মতিঝিল থানার দুটি ও ওয়ারী থানায় করা একটি—এই ১২টি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।