ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলিতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বিরামপুরে ধান, চাল ও গম ক্রয়ের শুভ উদ্বোধন করেন শিবলী সাদিক এমপি হোটেলে খেতে গিয়ে দায়িত্ব হারালেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা পাঁচবিবিতে খরায় লিচুর ফলন হ্রাস,বাগান মালিকের মাথায় হাত পাঁচবিবিতে ট্রাইকো কম্পোস্ট সার বাজারজাতকরণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত আত্মসমর্পণের পর কারাগারে বিএনপি নেতা ইশরাক দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবৈধ জুস তৈরির কারখানায় অভিযান, ১০ লাখ টাকা জরিমানা দেশ এখন মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে : মির্জা ফখরুল ‘ভারত-চীনকে যুক্ত করতে পারলেই রোহিঙ্গা সংকট সমাধান সম্ভব’

উজিরপুরে দূর্নীতি ও অনিয়মের শীর্ষে পূর্ব বড়াকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩
  • / ৬১১ বার পড়া হয়েছে

আসাদুজামান সোহাগ, উজিরপুর (বরিশাল)প্রতিনিধিঃ

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ৫৪ নং পূর্ব বড়াকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দূর্নীতি, অনিয়ম, স্কুলে অনুপস্থিত ও সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অর্থ অত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এমনকি গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ওই স্কুলে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ নুরুল হক মোল্লা জানান, প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমান একটি প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন দূর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি রীতিমত স্কুলে উপস্থিত না হয়ে তার নিজের কাজে ব্যস্ত সময় পার করে বেতন হাতিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়াও কোন মিটিং সভা ছাড়া তার নিজের মনগড়া প্রতিটি সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। এমনকি সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন এবং সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ৭ মাস অতিবাহিত হলেও এ পর্যন্ত কোন মিটিং হয়নি ও পূর্বের ব্যাংক একাউন্ট বহাল রেখেছেন তিনি। এ নিয়ে বার বার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সুরাহা মেলেনি।

তিনি আরো বলেন, আমিসহ ম্যানেজিং কমিটির লোকজন ও স্থানীয় অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে আমাদেরকে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার টিও টি.ও এবং এ.টি.ও কে ম্যানেজ করে সবকিছু করা সম্ভব। তিনি কোন কিছুকে তোয়াক্কা করেন না। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত কোন সভা, মিটিং ছাড়া আমার স্বাক্ষর ও সীল জাল করে সকল কার্য সম্পাদন করেন সুচতুর দূর্নীতিবাজ ওই প্রধান শিক্ষক। ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু জাফর বাদশা অভিযোগ করে বলেন, পুকুর লীজের ৮৫ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষা উপকরণের ১০ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করেছেন তিনি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমানকে ফোন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শাহানাজ খানম শিল্পী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এছাড়াও আমাদেরকে ম্যানেজ করার কোন সুযোগ নেই। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে ওই দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিচারের দাবীতে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

উজিরপুরে দূর্নীতি ও অনিয়মের শীর্ষে পূর্ব বড়াকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

আপডেট সময় : ১০:০০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩

আসাদুজামান সোহাগ, উজিরপুর (বরিশাল)প্রতিনিধিঃ

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ৫৪ নং পূর্ব বড়াকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দূর্নীতি, অনিয়ম, স্কুলে অনুপস্থিত ও সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অর্থ অত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এমনকি গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ওই স্কুলে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ নুরুল হক মোল্লা জানান, প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমান একটি প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন দূর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি রীতিমত স্কুলে উপস্থিত না হয়ে তার নিজের কাজে ব্যস্ত সময় পার করে বেতন হাতিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়াও কোন মিটিং সভা ছাড়া তার নিজের মনগড়া প্রতিটি সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। এমনকি সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন এবং সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ৭ মাস অতিবাহিত হলেও এ পর্যন্ত কোন মিটিং হয়নি ও পূর্বের ব্যাংক একাউন্ট বহাল রেখেছেন তিনি। এ নিয়ে বার বার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সুরাহা মেলেনি।

তিনি আরো বলেন, আমিসহ ম্যানেজিং কমিটির লোকজন ও স্থানীয় অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে আমাদেরকে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার টিও টি.ও এবং এ.টি.ও কে ম্যানেজ করে সবকিছু করা সম্ভব। তিনি কোন কিছুকে তোয়াক্কা করেন না। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত কোন সভা, মিটিং ছাড়া আমার স্বাক্ষর ও সীল জাল করে সকল কার্য সম্পাদন করেন সুচতুর দূর্নীতিবাজ ওই প্রধান শিক্ষক। ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু জাফর বাদশা অভিযোগ করে বলেন, পুকুর লীজের ৮৫ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষা উপকরণের ১০ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করেছেন তিনি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এস.এম মিজানুর রহমানকে ফোন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শাহানাজ খানম শিল্পী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এছাড়াও আমাদেরকে ম্যানেজ করার কোন সুযোগ নেই। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে ওই দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিচারের দাবীতে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।