ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলিতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বিরামপুরে ধান, চাল ও গম ক্রয়ের শুভ উদ্বোধন করেন শিবলী সাদিক এমপি হোটেলে খেতে গিয়ে দায়িত্ব হারালেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা পাঁচবিবিতে খরায় লিচুর ফলন হ্রাস,বাগান মালিকের মাথায় হাত পাঁচবিবিতে ট্রাইকো কম্পোস্ট সার বাজারজাতকরণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত আত্মসমর্পণের পর কারাগারে বিএনপি নেতা ইশরাক দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবৈধ জুস তৈরির কারখানায় অভিযান, ১০ লাখ টাকা জরিমানা দেশ এখন মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে : মির্জা ফখরুল ‘ভারত-চীনকে যুক্ত করতে পারলেই রোহিঙ্গা সংকট সমাধান সম্ভব’

কমতে শুরু করছে হিলিতে কাঁচা মরিচসহ সব ধরনের সবজির দাম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ রাকিব হাসান ডালিম, হাকিমপুর হিলি প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে সহ সব ধরনের সবজির দাম। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিটি কাঁচা সবজির দাম কেজিতে কমেছে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। আর কাঁচা মরিচের দাম কমেছে কেজিতে ১০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ ছিল। খুচরা বিক্রেতারা জানান,বাজারে সরবরাহ বাড়ায় ও অবরোধের কারণে কাঁচা পণ্যগুলো মোকামে সময়মতো নিয়ে যেতে না পারার কারণে এসব পণ্যের দাম এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) হাটবার হিলি বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
হিলি কাঁচা বাজারে সবজির কিনতে আসা ফরহাদ হোসেন বলেন, আজ একটু কাঁচাবাজারে করে স্বস্তি পেলাম। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি আলু কিনতে হয়েছিল ৬৫ টাকা কেজি দরে। আজ সেই আলু ৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। এ ভাবে প্রতিটি পণ্যের দামই কমেছে। তবে সবচেয়ে বেশি কমেছে কাঁচামরিচের দাম। ২০০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ আজ হাটবার ৫০ টাকা দিয়ে হাপকেজি নিলাম।
ক্রেতা আসাদুজ্জামান বলেন,কিছুদিন ধরে তো সবজির দাম ছিল আকাশছোঁয়া।প্রতিকেজি বেগুন ছিল ৮০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, ফুলকাপির কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন সব পণ্যের দামই নাগালের মধ্যে এসেছে। প্রতিকেজি বেগুন কিনলাম ৩৫ টাকা কেজি দরে, পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে, ফুলকপি ৪০ টাকা কেজি দরে।
তিনি আরও বলেন,শাকসবজির দামও কমেছে। গত সপ্তাহে ৪ আঁটি পালংশাক ৩০ টাকা বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। এভাবে মুলাশাক,সরিষাশাক সবধরনের শাকের দামই কমেছে।
খুচরা সবজি বিক্রেত মাইনুল বলেন,আমরা তো আর ইচ্ছে কমে দাম বাড়ায় না। বাজারে যখন সরবরাহ কম থাকে, তখন প্রতিটি কাঁচাপণ্যের দাম বাড়ে। আবার সরবরাহ বাড়লে দাম কমে। আমরা হয়তো কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি।
পাইকারি আলুসহ সবজি বিক্রেতরা শেখ বিপ্লব বলেন,আমরা বাইরের মোকাম থেকে এসব কাঁচা পণ্য কিনে এনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে থাকি। মোকাম থেকে যে দামে কিনি তার সাথে পরিবহন খরচ, নিজের খরচ বাদ দিয়ে কেজিতে হয়তো ৫ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি।
তিনি আরও বলেন,ভারত থেকে আলু আসায় আলুর দাম কেজিতে প্রকারভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। আর অবরোধের কারণে সময়মতো এসব সবজি ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গায় পাঠাতে না পারার কারণে মোকামেও দাম কমেছে। এছাড়া,শীতকালীন সবজি বাজারে উঠলে প্রথম দিকে দাম একটু চড়া থাকে। পরে ধীরে ধীরে কমে যায়। আমরা মোকামে কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কমতে শুরু করছে হিলিতে কাঁচা মরিচসহ সব ধরনের সবজির দাম

আপডেট সময় : ০৫:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

 

মোঃ রাকিব হাসান ডালিম, হাকিমপুর হিলি প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে সহ সব ধরনের সবজির দাম। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিটি কাঁচা সবজির দাম কেজিতে কমেছে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। আর কাঁচা মরিচের দাম কমেছে কেজিতে ১০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ ছিল। খুচরা বিক্রেতারা জানান,বাজারে সরবরাহ বাড়ায় ও অবরোধের কারণে কাঁচা পণ্যগুলো মোকামে সময়মতো নিয়ে যেতে না পারার কারণে এসব পণ্যের দাম এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) হাটবার হিলি বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
হিলি কাঁচা বাজারে সবজির কিনতে আসা ফরহাদ হোসেন বলেন, আজ একটু কাঁচাবাজারে করে স্বস্তি পেলাম। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি আলু কিনতে হয়েছিল ৬৫ টাকা কেজি দরে। আজ সেই আলু ৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। এ ভাবে প্রতিটি পণ্যের দামই কমেছে। তবে সবচেয়ে বেশি কমেছে কাঁচামরিচের দাম। ২০০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ আজ হাটবার ৫০ টাকা দিয়ে হাপকেজি নিলাম।
ক্রেতা আসাদুজ্জামান বলেন,কিছুদিন ধরে তো সবজির দাম ছিল আকাশছোঁয়া।প্রতিকেজি বেগুন ছিল ৮০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, ফুলকাপির কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন সব পণ্যের দামই নাগালের মধ্যে এসেছে। প্রতিকেজি বেগুন কিনলাম ৩৫ টাকা কেজি দরে, পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে, ফুলকপি ৪০ টাকা কেজি দরে।
তিনি আরও বলেন,শাকসবজির দামও কমেছে। গত সপ্তাহে ৪ আঁটি পালংশাক ৩০ টাকা বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। এভাবে মুলাশাক,সরিষাশাক সবধরনের শাকের দামই কমেছে।
খুচরা সবজি বিক্রেত মাইনুল বলেন,আমরা তো আর ইচ্ছে কমে দাম বাড়ায় না। বাজারে যখন সরবরাহ কম থাকে, তখন প্রতিটি কাঁচাপণ্যের দাম বাড়ে। আবার সরবরাহ বাড়লে দাম কমে। আমরা হয়তো কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি।
পাইকারি আলুসহ সবজি বিক্রেতরা শেখ বিপ্লব বলেন,আমরা বাইরের মোকাম থেকে এসব কাঁচা পণ্য কিনে এনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে থাকি। মোকাম থেকে যে দামে কিনি তার সাথে পরিবহন খরচ, নিজের খরচ বাদ দিয়ে কেজিতে হয়তো ৫ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি।
তিনি আরও বলেন,ভারত থেকে আলু আসায় আলুর দাম কেজিতে প্রকারভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। আর অবরোধের কারণে সময়মতো এসব সবজি ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গায় পাঠাতে না পারার কারণে মোকামেও দাম কমেছে। এছাড়া,শীতকালীন সবজি বাজারে উঠলে প্রথম দিকে দাম একটু চড়া থাকে। পরে ধীরে ধীরে কমে যায়। আমরা মোকামে কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি।