ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাঁচবিবিতে কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জানালার গ্রিল ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক্টর দূর্ঘটনায় নিহত ২ পাঁচবিবিতে বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা হিলি সীমান্তে দুই বাংলার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হরিপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাঁচবিবিতে নির্বাচনী মাঠে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোছাঃ রেবেকা সুলতানা বিরামপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত ৩৫০ ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে মুরগি বিতরণ পাঁচবিবিতে আবু হোসাইন হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড পাঁচবিবিতে বন্ধুত্বের মিলন মেলা-৯০ অনুষ্ঠিত হিলিতে দিনব্যাপি পণ্য প্রদর্শর্নী ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে শহীদ পরিবারের জমি জবর-দখলের চেষ্টা”, উদ্ধার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

দবিরুল ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জাল দলিল সৃষ্টি করে বর্গাচাষী কর্তৃক শহীদ পরিবারের জমি জবর-দখলের চেষ্টা করায় আজ ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার রুনিহালী গ্রামের নির্মল চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রী শহীদ পরিবারের কন্যা মঞ্জুরানী ৫৮ শতক জমি উদ্ধার চেয়ে তার নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার খারইল গ্রামের আমার শ্বশুর নিত্যগোপাল ১৯৭১ সালে খান সেনার হাতে শহীদ হন । ঐ সময় তার স্ত্রী উষারানী ও একমাত্র কন্যা মঞ্জুরানীর বয়স তখন ১৮ মাস। ঐসময় নিত্যগোপালের পিতা হৃদয় চন্দ্র জীবিত ছিলেন। হৃদয় চন্ত্র ১৯৭৫ সালে মৃত্যু বরন করলে ঐ পরিবারের কর্তাগণ হৃদয় চন্দ্রের ৭ পুত্রের মাঝে খাড়ইল, ঋষিঘাট ও বৈদর মৌজার জমি
তা পারিবারিক বন্টন অনুয়ায়ী বৈদর মৌজাতে আবাদি জমি হিসাবে যে সকল জমি ছেড়ে দেন তা ঐ সময় মঞ্জুরানীর মাতার মাধ্যমে বৈদর গ্রামের বর্তমান মৃত আব্দুস সামাদ, পিতা মৃত: ইমারত চানুয়া বর্গা চাষ করতেন। এমনি অবস্থায় বিগত ১৯৮৬ সালে মঞ্জুরানীকে বিবাহ করলে ঐসকল জমি ও শাশুরীকে প্রতিপালনের দায়িত্ব দেন। তখন উক্ত মৌজায় যে জমি আব্দুল সামাদ চাষাবাদ করতেন তার ফসল যথাযথ ভাবে না দিলে ঐ গ্রামের চিত্ত মহন্ত, সুদির মহন্ত সহ উক্ত আব্দুল সামাদের সহদর ভাই ধলুমিয়া তিন দাগ হাল দাগ ৪৭৩, পরিমান ১০ শতক, দাগ নম্বার ৪৭৯, পরিমান ২২ শতক, দাগ নম্বার ৪৯০, পরিমান ২৬ শতক মোট ৫৮ শতক জমি বিগত ১৯৯০ সাল হতে আবাদ শুরু করে ২০০৪ সাল পর্যন্তু যথাযথ ফসল দেন। এরপর থেকে জমির ফসল বন্ধ করে বিভিন্ন তালবাহনা শুরু করেন। কখনো বলেন, ঐ জমি আমি বন্ধকি হিসাবে নিয়েছি। এই বলে জমির ফসল বন্ধ করে দিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। ঐ সময় বৈদর মৌজায় মাঠ জরিপ কাজ চলছিল। জরিপ কাজের লোকজন ধলুমিয়ার পাশের বাড়িতে বসে জরিপের কাজ করেন। কাজেই ঐ সময় ভয়ে কোন কথা না বলে তাদের দখলিয় যে সকল জমি তার মাঠ রেকর্ড করান এবং রেকর্ডের সকল ধারা শেষে বর্তমানে ফাইনাল পর্চা প্রাপ্ত হন। এমনি অবস্থায় হঠাৎ করে দিনাজপুর আদালত যোগে মঞ্জুরানী ও নির্মলকে বিবাদী করে ২৯/৯ অন্য মোকরদ্দমা নোটিশ পান তাহার জবাব না দিয়েই উক্ত মোকরদ্দমা ধলুমিয়া প্রত্যাহার করে নেন। পুনরায় কয়েকদিন পরেই একই আদালতে মঞ্জুরানী ও
নির্মলকে বিবাদি করে ৪৪/৯ অন্য মোকরদ্দমার নোটিশ পেলে ঐ মোকরদ্দমায় হাজির হয়ে আরজি
উত্তোলন করে জানতে পারেন উক্ত ধলুমিয়া বিগত ইংরেজী ১৯৭০ সালে দাতা হৃদয় চন্দ্র গ্রহীতা
ধলুমিয়া দলিল নম্বার ৯৮২ মোট জমির পরিমান ১ একর ৩১ শতাংশ। ঐ দলিলে সনাক্তকারী দিলবর মোল্লা তিনি একজন নিরক্ষর ব্যক্তি কি করে স্বাক্ষর করলেন। ঐ সকল জমি ধলুমিয়া কোনদিনই ভোগ দক্ষল করেন নাই আর.এস. রেকডের সময় কোন প্রকার আপত্তিও করেন নাই। এমত:বস্থায় উক্ত মোকরদ্দমা দীর্ঘদিন
চালাবার পর আরগোম্যান পর্যায়ে এসে মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার ভয়ে ধলুমিয়া মোকরদ্দমাটি
প্রত্যাহার করে নিলেও উক্ত জমি দখল ছেড়ে না দিয়ে আমাদের হুমকি দেন যে, ঐ জমিতে দখল নিতে গেলে কিংবা আদালতের আশ্রয় নিলে তারা সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে খুন যখম করবেন। নিরূপাই হয়ে একাধারে উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে ধলুমিয়ার নিকট উকিল নোটিশ পাঠালেও কোন জবাব দেয়নি। ফলে উক্ত বিষয়গুলো বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করে দিনাজপুর জেলার প্রায় সকল প্রশাসনের নিকট ২৪/০২/২০২১ তারিখে আবেদন করেও কোন সুফল পাননি । পরে গত ২২/১১/২০২১ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেও কোন লাভ হয়নি। এরপর গত ১/৩/২৩ তারিখে দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাই নাই। এখন জবর দখলকারী ধলু মিয়া বলেছেন যে, জমি বিষয়ে সকল মোকরদ্দমার রায় তিনি পেয়েছেন।এছাড়া চলমান রেকর্ডও ধলুমিয়া পেয়েছেন যে কথাগুলি পত্রিকায় লিপিবদ্ধ আছে। সেই মোতাবেক জমির মালিকপক্ষ নির্মল চন্দ্র বলেন, ধলুমিয়া যদি ঐ জমির রায় ও চলমান রেকর্ড দেখাতে পারেন তাহলে ঐ সকল জমির দাবী কখনোই করবেন না।পরিশেষে তিনি চ্যালেঞ্জ করে একথাও বলেন, ধলুমিয়া ঐ সকল কাগজপত্র দেখাতে না পারলে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত ৫৮ শতক জমির যে সকল ফসল ও একের পর এক মিথ্যা মোকরদ্দমা করে যে হয়রানী করছেন তা ক্ষতিপূরণসহ জাল দলিল উদ্ধার করে জবরদখলকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সেইসাথে বেদখলকৃত জমি উদ্ধার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী শহীদ পরিবার। এ ব্যাপারে জবরদখলকারী ধলু মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি উক্ত সম্পত্তি দলিল মূলে ক্রয় করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাঁচবিবিতে শহীদ পরিবারের জমি জবর-দখলের চেষ্টা”, উদ্ধার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দবিরুল ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জাল দলিল সৃষ্টি করে বর্গাচাষী কর্তৃক শহীদ পরিবারের জমি জবর-দখলের চেষ্টা করায় আজ ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার রুনিহালী গ্রামের নির্মল চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রী শহীদ পরিবারের কন্যা মঞ্জুরানী ৫৮ শতক জমি উদ্ধার চেয়ে তার নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার খারইল গ্রামের আমার শ্বশুর নিত্যগোপাল ১৯৭১ সালে খান সেনার হাতে শহীদ হন । ঐ সময় তার স্ত্রী উষারানী ও একমাত্র কন্যা মঞ্জুরানীর বয়স তখন ১৮ মাস। ঐসময় নিত্যগোপালের পিতা হৃদয় চন্দ্র জীবিত ছিলেন। হৃদয় চন্ত্র ১৯৭৫ সালে মৃত্যু বরন করলে ঐ পরিবারের কর্তাগণ হৃদয় চন্দ্রের ৭ পুত্রের মাঝে খাড়ইল, ঋষিঘাট ও বৈদর মৌজার জমি
তা পারিবারিক বন্টন অনুয়ায়ী বৈদর মৌজাতে আবাদি জমি হিসাবে যে সকল জমি ছেড়ে দেন তা ঐ সময় মঞ্জুরানীর মাতার মাধ্যমে বৈদর গ্রামের বর্তমান মৃত আব্দুস সামাদ, পিতা মৃত: ইমারত চানুয়া বর্গা চাষ করতেন। এমনি অবস্থায় বিগত ১৯৮৬ সালে মঞ্জুরানীকে বিবাহ করলে ঐসকল জমি ও শাশুরীকে প্রতিপালনের দায়িত্ব দেন। তখন উক্ত মৌজায় যে জমি আব্দুল সামাদ চাষাবাদ করতেন তার ফসল যথাযথ ভাবে না দিলে ঐ গ্রামের চিত্ত মহন্ত, সুদির মহন্ত সহ উক্ত আব্দুল সামাদের সহদর ভাই ধলুমিয়া তিন দাগ হাল দাগ ৪৭৩, পরিমান ১০ শতক, দাগ নম্বার ৪৭৯, পরিমান ২২ শতক, দাগ নম্বার ৪৯০, পরিমান ২৬ শতক মোট ৫৮ শতক জমি বিগত ১৯৯০ সাল হতে আবাদ শুরু করে ২০০৪ সাল পর্যন্তু যথাযথ ফসল দেন। এরপর থেকে জমির ফসল বন্ধ করে বিভিন্ন তালবাহনা শুরু করেন। কখনো বলেন, ঐ জমি আমি বন্ধকি হিসাবে নিয়েছি। এই বলে জমির ফসল বন্ধ করে দিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। ঐ সময় বৈদর মৌজায় মাঠ জরিপ কাজ চলছিল। জরিপ কাজের লোকজন ধলুমিয়ার পাশের বাড়িতে বসে জরিপের কাজ করেন। কাজেই ঐ সময় ভয়ে কোন কথা না বলে তাদের দখলিয় যে সকল জমি তার মাঠ রেকর্ড করান এবং রেকর্ডের সকল ধারা শেষে বর্তমানে ফাইনাল পর্চা প্রাপ্ত হন। এমনি অবস্থায় হঠাৎ করে দিনাজপুর আদালত যোগে মঞ্জুরানী ও নির্মলকে বিবাদী করে ২৯/৯ অন্য মোকরদ্দমা নোটিশ পান তাহার জবাব না দিয়েই উক্ত মোকরদ্দমা ধলুমিয়া প্রত্যাহার করে নেন। পুনরায় কয়েকদিন পরেই একই আদালতে মঞ্জুরানী ও
নির্মলকে বিবাদি করে ৪৪/৯ অন্য মোকরদ্দমার নোটিশ পেলে ঐ মোকরদ্দমায় হাজির হয়ে আরজি
উত্তোলন করে জানতে পারেন উক্ত ধলুমিয়া বিগত ইংরেজী ১৯৭০ সালে দাতা হৃদয় চন্দ্র গ্রহীতা
ধলুমিয়া দলিল নম্বার ৯৮২ মোট জমির পরিমান ১ একর ৩১ শতাংশ। ঐ দলিলে সনাক্তকারী দিলবর মোল্লা তিনি একজন নিরক্ষর ব্যক্তি কি করে স্বাক্ষর করলেন। ঐ সকল জমি ধলুমিয়া কোনদিনই ভোগ দক্ষল করেন নাই আর.এস. রেকডের সময় কোন প্রকার আপত্তিও করেন নাই। এমত:বস্থায় উক্ত মোকরদ্দমা দীর্ঘদিন
চালাবার পর আরগোম্যান পর্যায়ে এসে মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার ভয়ে ধলুমিয়া মোকরদ্দমাটি
প্রত্যাহার করে নিলেও উক্ত জমি দখল ছেড়ে না দিয়ে আমাদের হুমকি দেন যে, ঐ জমিতে দখল নিতে গেলে কিংবা আদালতের আশ্রয় নিলে তারা সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে খুন যখম করবেন। নিরূপাই হয়ে একাধারে উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে ধলুমিয়ার নিকট উকিল নোটিশ পাঠালেও কোন জবাব দেয়নি। ফলে উক্ত বিষয়গুলো বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করে দিনাজপুর জেলার প্রায় সকল প্রশাসনের নিকট ২৪/০২/২০২১ তারিখে আবেদন করেও কোন সুফল পাননি । পরে গত ২২/১১/২০২১ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেও কোন লাভ হয়নি। এরপর গত ১/৩/২৩ তারিখে দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাই নাই। এখন জবর দখলকারী ধলু মিয়া বলেছেন যে, জমি বিষয়ে সকল মোকরদ্দমার রায় তিনি পেয়েছেন।এছাড়া চলমান রেকর্ডও ধলুমিয়া পেয়েছেন যে কথাগুলি পত্রিকায় লিপিবদ্ধ আছে। সেই মোতাবেক জমির মালিকপক্ষ নির্মল চন্দ্র বলেন, ধলুমিয়া যদি ঐ জমির রায় ও চলমান রেকর্ড দেখাতে পারেন তাহলে ঐ সকল জমির দাবী কখনোই করবেন না।পরিশেষে তিনি চ্যালেঞ্জ করে একথাও বলেন, ধলুমিয়া ঐ সকল কাগজপত্র দেখাতে না পারলে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত ৫৮ শতক জমির যে সকল ফসল ও একের পর এক মিথ্যা মোকরদ্দমা করে যে হয়রানী করছেন তা ক্ষতিপূরণসহ জাল দলিল উদ্ধার করে জবরদখলকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সেইসাথে বেদখলকৃত জমি উদ্ধার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী শহীদ পরিবার। এ ব্যাপারে জবরদখলকারী ধলু মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি উক্ত সম্পত্তি দলিল মূলে ক্রয় করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।