ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বরিশালে কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ায় সাবেক প্রধান শিক্ষককে বেধম পিটুনি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩
  • / ৩৯৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মশিউর রহমান সুমন বরিশাল, (মেহেন্দীগঞ্জ প্রতিনিধি)

কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ায় বরিশাল শেরে বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (৩০ শে মে)রাত ৯টার দিকে নথুল্লাবাদ সংলগ্ন কাউনিয়া খালপাড় সড়কে এই ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষকের দাবি,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সাজ্জাদ সেরনিয়াবাতের পক্ষে কাজ করায় এই হামলা চালানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নথুল্লাবাদ খালপাড় থেকে বাসায় ফিরছিলাম। তখন আমি মোবাইলে কথা বলতেছি। পিছন থেকে মাস্ক পরিহিত ৩ যুবক এসে ডাকছিলো স্যার দাড়ান কথা আছে। আমি দাঁড়াতেই চড় থাপ্পড় কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে লাগলো। এক পর্যায়ে তারা আমাকে তুলে খালে ফেলে দিতে চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে আমার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন,নির্বাচনে আমি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাতের পক্ষ ভোট চেয়েছি, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বর্তমান কাউন্সিলর ও প্রার্থী জিয়াউর রহমান বিপ্লব হামলার কাজ করিয়েছেন।তার সঙ্গে আগে থেকেই ঝামেলা চলে আসছিলো। তিনি বিনা কারনে আমাকে স্কুল থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন,তা ছাড়া আর কারো সাথে আমার বিরোধ নেই। আমাকে মারধরের ঘটনা সেই ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ঘুড়ি প্রতিকের প্রার্থী ওবায়দুল হক ওরফে সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত বলেন,হারুন অর রশিদ স্যার আমার পক্ষে নির্বাচনে মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন। এজন্য তার উপর হামলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠেলাগাড়ি প্রতিকের কাউন্সিলর প্রার্থী জিয়াউর রহমান বিপ্লব।তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অনেক অভিযোগ রয়েছে।আমি বর্তমান কাউন্সিলর। বিগত পাঁচবছর মানুষের সেবা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছি তাকে কেন হামলা করাতে যাবো।মূলত আমাকে হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
জিয়াউর রহমান দাবি করেন,সাবেক ওই শিক্ষক মদ পান করেন এমনও হতে পারে মদ খেয়ে খালে পড়ে গিয়ে দাবি করছেন তাকে মারধর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, এখন পযন্ত এমন কোন অভিযোগ কেউ থানায় দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বরিশালে কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ায় সাবেক প্রধান শিক্ষককে বেধম পিটুনি

আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

মোঃ মশিউর রহমান সুমন বরিশাল, (মেহেন্দীগঞ্জ প্রতিনিধি)

কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ায় বরিশাল শেরে বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (৩০ শে মে)রাত ৯টার দিকে নথুল্লাবাদ সংলগ্ন কাউনিয়া খালপাড় সড়কে এই ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষকের দাবি,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সাজ্জাদ সেরনিয়াবাতের পক্ষে কাজ করায় এই হামলা চালানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নথুল্লাবাদ খালপাড় থেকে বাসায় ফিরছিলাম। তখন আমি মোবাইলে কথা বলতেছি। পিছন থেকে মাস্ক পরিহিত ৩ যুবক এসে ডাকছিলো স্যার দাড়ান কথা আছে। আমি দাঁড়াতেই চড় থাপ্পড় কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে লাগলো। এক পর্যায়ে তারা আমাকে তুলে খালে ফেলে দিতে চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে আমার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন,নির্বাচনে আমি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাতের পক্ষ ভোট চেয়েছি, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বর্তমান কাউন্সিলর ও প্রার্থী জিয়াউর রহমান বিপ্লব হামলার কাজ করিয়েছেন।তার সঙ্গে আগে থেকেই ঝামেলা চলে আসছিলো। তিনি বিনা কারনে আমাকে স্কুল থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন,তা ছাড়া আর কারো সাথে আমার বিরোধ নেই। আমাকে মারধরের ঘটনা সেই ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ঘুড়ি প্রতিকের প্রার্থী ওবায়দুল হক ওরফে সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত বলেন,হারুন অর রশিদ স্যার আমার পক্ষে নির্বাচনে মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন। এজন্য তার উপর হামলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠেলাগাড়ি প্রতিকের কাউন্সিলর প্রার্থী জিয়াউর রহমান বিপ্লব।তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অনেক অভিযোগ রয়েছে।আমি বর্তমান কাউন্সিলর। বিগত পাঁচবছর মানুষের সেবা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছি তাকে কেন হামলা করাতে যাবো।মূলত আমাকে হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
জিয়াউর রহমান দাবি করেন,সাবেক ওই শিক্ষক মদ পান করেন এমনও হতে পারে মদ খেয়ে খালে পড়ে গিয়ে দাবি করছেন তাকে মারধর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, এখন পযন্ত এমন কোন অভিযোগ কেউ থানায় দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।