ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিদেশে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারনা করার দায়ে থানায় মুচলেকা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ

দেশের সুনামধন্য বিদেশে চিকিৎসা সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ডক্টরস লিঙ্ক এর নাম ব্যবহার করে অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক কর্মচারী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসা প্রত্যাশী মানুষদের নিকট মোটা অংকের টাকা নিয়ে লাপাত্তার অভিযোগসহ ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় ডাটাবেজ চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এঘটনায় অভিযুক্ত বেলাল হোসেন নিজের অপকর্মের দায় স্বীকার করে রংপুর কোতয়ালী থানায় মুচলেকা দিলেও পরবর্তীতে উল্টো প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানান বিভ্রান্ত মুলক অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর নগরীর ধাপ ইন্জিনিয়ার পাড়া এলাকায়।

ওই প্রতারক বেলাল হোসেন রংপুর পীরগাছা উপজেলার চৌধুরাণী মকরমপুর এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমানের ছেলে।

ডক্টরস লিঙ্ক এর সিইও আরিফুল ইসলাম সূত্রে জানাগেছে অভিযুক্ত বেলাল হোসেন দীর্ঘ ৪ বছর আগে রংপুরের শাখা ম্যানেজার হিসেবে ডক্টরস লিঙ্ক অফিসে কাজে যোগদান করেন। পরবর্তীতে রংপুর থেকে ঢাকা অফিসে যোগদান করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানির নিয়মনীতি উপেক্ষা করে গোপনে কোম্পানির নাম ব্যবহার করে বিদেশগামী রোগী ও স্বজনদের নিকট মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় বেলাল। এবং সুযোগ বুঝে গত তিন মাস আগে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে গা ঢাকা দেন বেলাল।

এঘটনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতারনার স্বীকার রোগী ও স্বজনরা ডক্টরস লিঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এবিষয়ে ডক্টরস লিঙ্ক এর সিইও আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান প্রতারক বেলাল হোসেন দীর্ঘ দিন থেকে প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে রোগী ও স্বজনদের কাছে প্রতারনা করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয় সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের তথ্য উপাত্ত পাচার করেছে। তিনি আরো বলেন

এঘটনায় আমরা গত ৯ আগষ্ট তাকে ধরে রংপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ প্রশাসনের নিকট সোপর্দ করি। পরে তার স্ত্রী সামছুন্নাহার সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা থানায় এসে তার অপকর্মের দায় স্বীকার করে প্রতারনা মুলক ৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেয়। তবে তার এই অপকর্মের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নিবেন না।

এবিষয়ে কোতয়ালী থানার এসআই সুলতান প্রতারক বেলালের মুচলেকা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিদেশে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারনা করার দায়ে থানায় মুচলেকা

আপডেট সময় : ০৬:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩

আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ

দেশের সুনামধন্য বিদেশে চিকিৎসা সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ডক্টরস লিঙ্ক এর নাম ব্যবহার করে অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক কর্মচারী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসা প্রত্যাশী মানুষদের নিকট মোটা অংকের টাকা নিয়ে লাপাত্তার অভিযোগসহ ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় ডাটাবেজ চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এঘটনায় অভিযুক্ত বেলাল হোসেন নিজের অপকর্মের দায় স্বীকার করে রংপুর কোতয়ালী থানায় মুচলেকা দিলেও পরবর্তীতে উল্টো প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানান বিভ্রান্ত মুলক অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর নগরীর ধাপ ইন্জিনিয়ার পাড়া এলাকায়।

ওই প্রতারক বেলাল হোসেন রংপুর পীরগাছা উপজেলার চৌধুরাণী মকরমপুর এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমানের ছেলে।

ডক্টরস লিঙ্ক এর সিইও আরিফুল ইসলাম সূত্রে জানাগেছে অভিযুক্ত বেলাল হোসেন দীর্ঘ ৪ বছর আগে রংপুরের শাখা ম্যানেজার হিসেবে ডক্টরস লিঙ্ক অফিসে কাজে যোগদান করেন। পরবর্তীতে রংপুর থেকে ঢাকা অফিসে যোগদান করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানির নিয়মনীতি উপেক্ষা করে গোপনে কোম্পানির নাম ব্যবহার করে বিদেশগামী রোগী ও স্বজনদের নিকট মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় বেলাল। এবং সুযোগ বুঝে গত তিন মাস আগে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে গা ঢাকা দেন বেলাল।

এঘটনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতারনার স্বীকার রোগী ও স্বজনরা ডক্টরস লিঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এবিষয়ে ডক্টরস লিঙ্ক এর সিইও আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান প্রতারক বেলাল হোসেন দীর্ঘ দিন থেকে প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে রোগী ও স্বজনদের কাছে প্রতারনা করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয় সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের তথ্য উপাত্ত পাচার করেছে। তিনি আরো বলেন

এঘটনায় আমরা গত ৯ আগষ্ট তাকে ধরে রংপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ প্রশাসনের নিকট সোপর্দ করি। পরে তার স্ত্রী সামছুন্নাহার সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা থানায় এসে তার অপকর্মের দায় স্বীকার করে প্রতারনা মুলক ৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেয়। তবে তার এই অপকর্মের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নিবেন না।

এবিষয়ে কোতয়ালী থানার এসআই সুলতান প্রতারক বেলালের মুচলেকা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।