ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে গোলায় উঠার অপেক্ষায়, কৃষকের স্বপ্ন আগাম জাতের সোনালী ধান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের বিরামপুরে খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন ধানের স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী জাতের সোনালী ধান গোলায় উঠার অপেক্ষায়। মাঠে মাঠে ধান পেকে সোনালী আকার ধারন করেছে। নানা প্রতিকুলাতার পরও ক্ষেতের ধান দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। সরেজমিনে উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, ছোট যমুনা নদীর চরাঞ্চলসহ নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। মাঠে মাঠে সোলানী ধান উঁকি মারছে। সোনালী ধানের ভাল ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুঠেছে। কাটলা ইউনিয়নের কৃষক আবু বকর বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে সোলালী ধান গোলায় তুলবেন। কেউ কেউ ধান কাটা শুরু করেছেন।একই গ্রামের কৃষক সলিমুদ্দিন জানায় তার ২ বিঘা জমির ধান সোনালী আকার ধারন করেছে, এক বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে আর এক বিঘা জমির ধান ২-১ দিনের মধ্যে ধান কেটে গোলায় তুলবে। কৃষক হাফিজুল জানান তার ৫০ শতক জমি নদী গর্বে বিলিন হয়ে গেছে বাকি ৩০ শতক জমির ধান পাকতে শুরু করেছে । উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামে অধিকাংশ আগাম জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে খরিপ-২ মৌসুমে স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে আগাম জাতের জটাবারি,পারিজা ধান কাটা শুরু হয়েছে। আর কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে মাঠে বর্তমানে যে অবস্থা তাতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে গোলায় উঠার অপেক্ষায়, কৃষকের স্বপ্ন আগাম জাতের সোনালী ধান

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের বিরামপুরে খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন ধানের স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী জাতের সোনালী ধান গোলায় উঠার অপেক্ষায়। মাঠে মাঠে ধান পেকে সোনালী আকার ধারন করেছে। নানা প্রতিকুলাতার পরও ক্ষেতের ধান দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। সরেজমিনে উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, ছোট যমুনা নদীর চরাঞ্চলসহ নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। মাঠে মাঠে সোলানী ধান উঁকি মারছে। সোনালী ধানের ভাল ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুঠেছে। কাটলা ইউনিয়নের কৃষক আবু বকর বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে সোলালী ধান গোলায় তুলবেন। কেউ কেউ ধান কাটা শুরু করেছেন।একই গ্রামের কৃষক সলিমুদ্দিন জানায় তার ২ বিঘা জমির ধান সোনালী আকার ধারন করেছে, এক বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে আর এক বিঘা জমির ধান ২-১ দিনের মধ্যে ধান কেটে গোলায় তুলবে। কৃষক হাফিজুল জানান তার ৫০ শতক জমি নদী গর্বে বিলিন হয়ে গেছে বাকি ৩০ শতক জমির ধান পাকতে শুরু করেছে । উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামে অধিকাংশ আগাম জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে খরিপ-২ মৌসুমে স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে আগাম জাতের জটাবারি,পারিজা ধান কাটা শুরু হয়েছে। আর কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে মাঠে বর্তমানে যে অবস্থা তাতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।