ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বিরামপুর উপজেলায় ১০৩ বছরের বৃদ্ধা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নিলেন নাতি বৌয়ের কাঁধে ভর করে কিশোর কিশোরীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও আলোকিত জীবন হিলিতে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন জয়পুরহাটে পুলিশ সুপার ম্যারাথন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জানালার গ্রিল ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক্টর দূর্ঘটনায় নিহত ২ পাঁচবিবিতে বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা হিলি সীমান্তে দুই বাংলার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হরিপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

রিকশার প্যাডেলে জীবনের চাকা ঘুরে মনো মিয়ার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩
  • / ৪১৮ বার পড়া হয়েছে

ইব্রাহীম মিঞা বিরামপুর,(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ইসলামপাড়ার দবির উদ্দিনের ৩য় ছেলে মনো মিয়া। অভাবের সংসারে বাবার সাথে ১০ বার বছর বয়স থেকে সংসারের দায়িত্ব তুলে নেয় মনো মিয়া(৪১)।

তার বাবা মোঃ দবির উদ্দিন একজন সাইকেল মেকার। ছয় ছেলে সন্তান ও দুই মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছে তার পরিবার।দুই বোনের বিয়ের পর ভায়েরাও যে যারমতো বিয়ে করে সংসার পেতেছেন। বাবা,মা ও ১ ছেলে,স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে মনো মিয়ার পাঁচ জনের সংসার। উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম দু পায়ে প্যাডেল চালিত রিকশা। দুই বেলা দুমুঠো খাবার জোটানোর জন্য এই সময়ে অটো রিকশা কেনার সামর্থ্য না থাকায় বাধ্য হয়ে দু পায়ে চালিত রিকশায় কোনমতে পরিবার চালানোর মতো অর্থ উপার্জন করে।

মনো মিয়াকে ভাড়ায় চালিত চার্জার রিকশা নিয়ে চালানোর কথা জিজ্ঞেস করলে মনো মিয়া জানান ঋণ নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা কিনার প্রতি আগ্রহী না।কারন হিসেবে তিনি জানান এনজিওর সুদের টাকা পরিশোধের চাপ, অন্যদিকে রোজগারও সবসময় ভালো হয়না। প্রায়ই অসুস্থ থাকি। অনাহারে অর্ধাহারে দিন চলে।এ অবস্থায় কিস্তি পরিশোধ করতে না পারার ভয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি।আর ভাড়ায় চালিত রিকশা নিলে সবদিনে কামায় ভালো হয় না, রিকশার ভাড়া ২৫০ টাকা দিলে সংসার চালানোর মতো অর্থ কাছে থাকেনা।তাই প্যাডেলের রিকশা (বাংলা রিক্সা) চালিয়ে যা উপার্জন হয় কোনভাবে সংসার চলে।গত ১০ বছর ধরে বিরামপুর পৌরশহরে রিকশা চালাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে গরমের প্রচন্ড তাপদাহে দু পায়ে প্যাডেল চালিত রিকশা চালানো আরো কষ্টকর।সন্তানের পড়াশোনার খরচ, বাবা ও মায়ের ঔষধ কেনাসহ সংসারে খরচের টাকা উপার্জনের চিন্তায়,চিন্তায় কখন যে রিকশার চাকা আর প্যাডেলের সঙ্গে মনো মিয়ার জীবন আটকে যায় তা তিনি নিজেও জানে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রিকশার প্যাডেলে জীবনের চাকা ঘুরে মনো মিয়ার

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩

ইব্রাহীম মিঞা বিরামপুর,(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ইসলামপাড়ার দবির উদ্দিনের ৩য় ছেলে মনো মিয়া। অভাবের সংসারে বাবার সাথে ১০ বার বছর বয়স থেকে সংসারের দায়িত্ব তুলে নেয় মনো মিয়া(৪১)।

তার বাবা মোঃ দবির উদ্দিন একজন সাইকেল মেকার। ছয় ছেলে সন্তান ও দুই মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছে তার পরিবার।দুই বোনের বিয়ের পর ভায়েরাও যে যারমতো বিয়ে করে সংসার পেতেছেন। বাবা,মা ও ১ ছেলে,স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে মনো মিয়ার পাঁচ জনের সংসার। উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম দু পায়ে প্যাডেল চালিত রিকশা। দুই বেলা দুমুঠো খাবার জোটানোর জন্য এই সময়ে অটো রিকশা কেনার সামর্থ্য না থাকায় বাধ্য হয়ে দু পায়ে চালিত রিকশায় কোনমতে পরিবার চালানোর মতো অর্থ উপার্জন করে।

মনো মিয়াকে ভাড়ায় চালিত চার্জার রিকশা নিয়ে চালানোর কথা জিজ্ঞেস করলে মনো মিয়া জানান ঋণ নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা কিনার প্রতি আগ্রহী না।কারন হিসেবে তিনি জানান এনজিওর সুদের টাকা পরিশোধের চাপ, অন্যদিকে রোজগারও সবসময় ভালো হয়না। প্রায়ই অসুস্থ থাকি। অনাহারে অর্ধাহারে দিন চলে।এ অবস্থায় কিস্তি পরিশোধ করতে না পারার ভয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি।আর ভাড়ায় চালিত রিকশা নিলে সবদিনে কামায় ভালো হয় না, রিকশার ভাড়া ২৫০ টাকা দিলে সংসার চালানোর মতো অর্থ কাছে থাকেনা।তাই প্যাডেলের রিকশা (বাংলা রিক্সা) চালিয়ে যা উপার্জন হয় কোনভাবে সংসার চলে।গত ১০ বছর ধরে বিরামপুর পৌরশহরে রিকশা চালাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে গরমের প্রচন্ড তাপদাহে দু পায়ে প্যাডেল চালিত রিকশা চালানো আরো কষ্টকর।সন্তানের পড়াশোনার খরচ, বাবা ও মায়ের ঔষধ কেনাসহ সংসারে খরচের টাকা উপার্জনের চিন্তায়,চিন্তায় কখন যে রিকশার চাকা আর প্যাডেলের সঙ্গে মনো মিয়ার জীবন আটকে যায় তা তিনি নিজেও জানে না।