ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘর ও স্কুলসহ  ক্ষতিগ্রস্থ  ৪৬০ স্থাপনা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩
  • / ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

জাওয়ান উদ্দিন, কক্সবাজার

ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশংকা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি তেমন ঘটেনি। কয়েকশ’ রোহিঙ্গা পরিবার কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হলেও তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ক্যাম্পে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাসহ দেশি–বিদেশি এনজিওগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের নানাভাবে সহায়তা প্রদান করছে।

গত রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৃষ্টির সঙ্গে ছিল তীব্র বাতাস ও ঝড়ো হওয়া। তবে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ২৭৮টি শেল্টার, ৩২টি লার্নিং সেন্টার, একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ২৯টি মসজিদ/মক্তব ও ১২০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২ হাজার ৫৪৮টি শেল্টার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগে ৫ হাজার ৩৮৬ জন রোহিঙ্গাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘরগুলো কিছুটা ক্ষতি হলেও সেগুলো চাপা পড়ে প্রাণহানির সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল না। পাঁচ বছর আগে নির্মিত অধিকাংশ ঘর এমনিতেই জরাজীর্ণ। বাতাসের তোড়ে বেশ কিছু ঘর, মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল ও অনান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে কোনোটি আংশিক, কোনোটি সম্পূর্ণ। দু–একটি জায়গায় গাছ পড়েছে। দু–একটি জায়গায় পাহাড়ি টিলার মাটি সরে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতে সাইড ম্যানেজমেন্ট টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলো এমনিতে অস্থায়ী শেল্টার এবং এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ছিল। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে শরণার্থী কমিশনার জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘর ও স্কুলসহ  ক্ষতিগ্রস্থ  ৪৬০ স্থাপনা

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

জাওয়ান উদ্দিন, কক্সবাজার

ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশংকা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি তেমন ঘটেনি। কয়েকশ’ রোহিঙ্গা পরিবার কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হলেও তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ক্যাম্পে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাসহ দেশি–বিদেশি এনজিওগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের নানাভাবে সহায়তা প্রদান করছে।

গত রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৃষ্টির সঙ্গে ছিল তীব্র বাতাস ও ঝড়ো হওয়া। তবে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ২৭৮টি শেল্টার, ৩২টি লার্নিং সেন্টার, একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ২৯টি মসজিদ/মক্তব ও ১২০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২ হাজার ৫৪৮টি শেল্টার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগে ৫ হাজার ৩৮৬ জন রোহিঙ্গাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘরগুলো কিছুটা ক্ষতি হলেও সেগুলো চাপা পড়ে প্রাণহানির সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল না। পাঁচ বছর আগে নির্মিত অধিকাংশ ঘর এমনিতেই জরাজীর্ণ। বাতাসের তোড়ে বেশ কিছু ঘর, মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল ও অনান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে কোনোটি আংশিক, কোনোটি সম্পূর্ণ। দু–একটি জায়গায় গাছ পড়েছে। দু–একটি জায়গায় পাহাড়ি টিলার মাটি সরে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতে সাইড ম্যানেজমেন্ট টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলো এমনিতে অস্থায়ী শেল্টার এবং এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ছিল। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে শরণার্থী কমিশনার জানান।