ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বিরামপুর উপজেলায় ১০৩ বছরের বৃদ্ধা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নিলেন নাতি বৌয়ের কাঁধে ভর করে কিশোর কিশোরীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও আলোকিত জীবন হিলিতে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন জয়পুরহাটে পুলিশ সুপার ম্যারাথন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জানালার গ্রিল ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক্টর দূর্ঘটনায় নিহত ২ পাঁচবিবিতে বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা হিলি সীমান্তে দুই বাংলার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হরিপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

শ্রীপুরে সোর্সের কান কেটে দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর ভাইয়ের বাড়িতে ভাংচুর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩
  • / ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শ্রীপুর থানা পুলিশের সোর্সের কান কাটার সূত্র ধরে মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার ভাইয়ের বাড়িতে ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে শ্রীপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। মাদক ব্যবসায়ী মাইনুর রহমান নেপাল উপজেলার তারাউজিয়াল গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিন খানের ছেলে। তাকে ধরতে না পেরে তার ভাই খবির হোসেন খানের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর চালায় শ্রীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ ও সোর্স কৌশল অবলম্বন করে। তারা ক্রেতা সেজে নেপালের কাছে যায়। এ সময় ইয়াবা কেনার পর সোর্স নেপাল ও তার সহযোগী তামিমকে হাতকড়া পড়াতে গেলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে নেপাল ও তার সহযোগী ছুটে গিয়ে সোর্স আরশাফ আলীর দিকে তামিমের হাতে থাকা দা ছুড়ে মারে। এতে সোর্স আরশাফের কান কেটে যাই। পরে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সূত্র ধরে ওইদিন রাত সাড়ে ১২ টার দিকে নেপালের বাড়িতে শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালায়। কিন্তু তাকে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাইয়ের ব্যাপক ভাংচুর চালায় তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারাউজিয়াল গ্রামের বাবু, নেপাল, কাজল, সজল, নাজিম, সামিরুলসহ বেশকয়েকজন মাদক ব্যবসার চালিয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

ভাংচুরের বিষয়ে খবির হোসেনের বোন এলাচি বেগম বলেন, তিনটি মোটরসাইকেলে শ্রীপুর থানা পুলিশের লোকজন এসে আচমকা আমাদের বাড়িতে ভাংচুর শুরু করে। তখন আমি বলি, যে অপরাধী তাকে আপনারা শাস্তি দেন কেন শুধু শুধু আপনারা আমাদের বাড়ি ভাংচুর করছেন? আমার এ কথা বলার পর তারা বাঁশের খাটে দিয়ে ঘরের দরজায় ৪ থেকে ৫ টা জোরে জোরে আঘাত করে। রান্না করে খেতে দেবে না এ কথা বলে পুলিশ সদস্যরা বাড়ির রান্নার চুলা, টিউবওয়েলের মোটর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তখন বাড়িতে শুধু নারী সদস্যরাই ছিলেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিশারুল ইসলাম বলেন, সোর্স আহতের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ভাংচুরের বিষয়ে তিনি কোন কিছুই জানেন না বলেও জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শ্রীপুরে সোর্সের কান কেটে দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর ভাইয়ের বাড়িতে ভাংচুর

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

মাগুরা প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শ্রীপুর থানা পুলিশের সোর্সের কান কাটার সূত্র ধরে মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার ভাইয়ের বাড়িতে ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে শ্রীপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। মাদক ব্যবসায়ী মাইনুর রহমান নেপাল উপজেলার তারাউজিয়াল গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিন খানের ছেলে। তাকে ধরতে না পেরে তার ভাই খবির হোসেন খানের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর চালায় শ্রীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ ও সোর্স কৌশল অবলম্বন করে। তারা ক্রেতা সেজে নেপালের কাছে যায়। এ সময় ইয়াবা কেনার পর সোর্স নেপাল ও তার সহযোগী তামিমকে হাতকড়া পড়াতে গেলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে নেপাল ও তার সহযোগী ছুটে গিয়ে সোর্স আরশাফ আলীর দিকে তামিমের হাতে থাকা দা ছুড়ে মারে। এতে সোর্স আরশাফের কান কেটে যাই। পরে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সূত্র ধরে ওইদিন রাত সাড়ে ১২ টার দিকে নেপালের বাড়িতে শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালায়। কিন্তু তাকে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাইয়ের ব্যাপক ভাংচুর চালায় তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারাউজিয়াল গ্রামের বাবু, নেপাল, কাজল, সজল, নাজিম, সামিরুলসহ বেশকয়েকজন মাদক ব্যবসার চালিয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

ভাংচুরের বিষয়ে খবির হোসেনের বোন এলাচি বেগম বলেন, তিনটি মোটরসাইকেলে শ্রীপুর থানা পুলিশের লোকজন এসে আচমকা আমাদের বাড়িতে ভাংচুর শুরু করে। তখন আমি বলি, যে অপরাধী তাকে আপনারা শাস্তি দেন কেন শুধু শুধু আপনারা আমাদের বাড়ি ভাংচুর করছেন? আমার এ কথা বলার পর তারা বাঁশের খাটে দিয়ে ঘরের দরজায় ৪ থেকে ৫ টা জোরে জোরে আঘাত করে। রান্না করে খেতে দেবে না এ কথা বলে পুলিশ সদস্যরা বাড়ির রান্নার চুলা, টিউবওয়েলের মোটর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তখন বাড়িতে শুধু নারী সদস্যরাই ছিলেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিশারুল ইসলাম বলেন, সোর্স আহতের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ভাংচুরের বিষয়ে তিনি কোন কিছুই জানেন না বলেও জানিয়েছেন।