ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্থানান্তর হয়নি বিদ্যুতের  লাইন; মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আহত কিশোর 

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০২৩
  • / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

 

রফিকুল ইসলাম, তাড়াশ ( সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ও সঞ্চালন লাইন স্থানান্তর ছাড়াই বাসার দ্বি- তল ভবন নির্মান শুরু করেন জয়নাল আবেদীন। আর নির্মানাধীন ওই ভবনে খেলতে গিয়ে সেই বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক কিশোর গুরুতর আহত হযেছে।

শুক্রবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার  বারুহাঁস ইউনিয়নের বারুহাঁস বাজার এলাকার মো. জয়নাল আবেদীনের নির্মানাধীন বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত কিশোর মো. আদম আলী (১৩) সরাবড়ি গ্রামের আব্দুল মজিদ সাধুর ছেলে ।
বর্তমানে ওই কিশোর সিরাজগঞ্জ ক্যাপ্টন এম, মুনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

অবশ্য, বাসার মালিক মো. জয়নাল আবেদীন দাবী করেন, তার বাসার উপরে থাকা বিদ্যুতের সঞ্চালন  লাইন স্থানান্তরের জন্য প্রায় দুই মাস পুর্বে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসে আবেদন করেন। তারপরও তা স্থানান্তর না করায় এমন দূঃর্ঘনা ঘটেছে। আর এ লাইন কবে নাগাদ স্থানান্তর হবে তা বলাও মুশকিল। আর বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় বাসার কাজ তারাতারি করতে হচ্ছে।

আহত কিশোরের বাবা আব্দুল মজিদ জানান, শুক্রবার বিকেলে তার ছেলে মো. আদম আলী ওই নির্মানাধীন ওই ভবনের দো- তলায় উঠে বেকুনিতে গিয়ে খেলছিল। এক পর্য্যায়ে সে সেখানে থাকা বিদ্যুতের সঞ্চালন তারে হাত দেয়। আর  সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎতারিত হয়ে কিশোর আদম আলীর সারা শরীর ঝলসে যায়। তার চিৎকারে বাজারের লোকজন এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তাড়াশ উপজেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সিরাজগঞ্জ ক্যাপ্টন এম, মুনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা করা হয়। আর বর্তমানে সেখানে মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোর আদম আলী।

আদম আলীর বাবা সাধু আরো জানান, এ হাসপাতালের চিকিৎসক দ্রæত আমার ছেলেকে  ঢাকা বার্ণ ইউনিটে ভর্তির জন্য বলছেন।  কিন্তু টাকার অভাবে ঢাকায় নিতে পারছিনা।

এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসের ডিজিএম নিরাপদ দাস জানান, বিষয়টি আমি জানিনা বা কেউ আমাকে জানাননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্থানান্তর হয়নি বিদ্যুতের  লাইন; মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আহত কিশোর 

আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০২৩

 

রফিকুল ইসলাম, তাড়াশ ( সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ও সঞ্চালন লাইন স্থানান্তর ছাড়াই বাসার দ্বি- তল ভবন নির্মান শুরু করেন জয়নাল আবেদীন। আর নির্মানাধীন ওই ভবনে খেলতে গিয়ে সেই বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক কিশোর গুরুতর আহত হযেছে।

শুক্রবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার  বারুহাঁস ইউনিয়নের বারুহাঁস বাজার এলাকার মো. জয়নাল আবেদীনের নির্মানাধীন বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত কিশোর মো. আদম আলী (১৩) সরাবড়ি গ্রামের আব্দুল মজিদ সাধুর ছেলে ।
বর্তমানে ওই কিশোর সিরাজগঞ্জ ক্যাপ্টন এম, মুনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

অবশ্য, বাসার মালিক মো. জয়নাল আবেদীন দাবী করেন, তার বাসার উপরে থাকা বিদ্যুতের সঞ্চালন  লাইন স্থানান্তরের জন্য প্রায় দুই মাস পুর্বে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসে আবেদন করেন। তারপরও তা স্থানান্তর না করায় এমন দূঃর্ঘনা ঘটেছে। আর এ লাইন কবে নাগাদ স্থানান্তর হবে তা বলাও মুশকিল। আর বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় বাসার কাজ তারাতারি করতে হচ্ছে।

আহত কিশোরের বাবা আব্দুল মজিদ জানান, শুক্রবার বিকেলে তার ছেলে মো. আদম আলী ওই নির্মানাধীন ওই ভবনের দো- তলায় উঠে বেকুনিতে গিয়ে খেলছিল। এক পর্য্যায়ে সে সেখানে থাকা বিদ্যুতের সঞ্চালন তারে হাত দেয়। আর  সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎতারিত হয়ে কিশোর আদম আলীর সারা শরীর ঝলসে যায়। তার চিৎকারে বাজারের লোকজন এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তাড়াশ উপজেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সিরাজগঞ্জ ক্যাপ্টন এম, মুনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা করা হয়। আর বর্তমানে সেখানে মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোর আদম আলী।

আদম আলীর বাবা সাধু আরো জানান, এ হাসপাতালের চিকিৎসক দ্রæত আমার ছেলেকে  ঢাকা বার্ণ ইউনিটে ভর্তির জন্য বলছেন।  কিন্তু টাকার অভাবে ঢাকায় নিতে পারছিনা।

এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসের ডিজিএম নিরাপদ দাস জানান, বিষয়টি আমি জানিনা বা কেউ আমাকে জানাননি।