ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বিরামপুর উপজেলায় ১০৩ বছরের বৃদ্ধা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নিলেন নাতি বৌয়ের কাঁধে ভর করে কিশোর কিশোরীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও আলোকিত জীবন হিলিতে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন জয়পুরহাটে পুলিশ সুপার ম্যারাথন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জানালার গ্রিল ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক্টর দূর্ঘটনায় নিহত ২ পাঁচবিবিতে বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা হিলি সীমান্তে দুই বাংলার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হরিপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তিনি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

বুধবার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।বুধবার বিকেল ৬টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালের উদ্দেশে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান খালেদ জিয়া।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপির চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে কয়েক দিন থাকতে হতে পারে। এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১০ জুন রাত পৌনে তিনটার দিকে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছর ১০ জুন গভীর রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। পরে দ্রুত এনজিওগ্রাম করে তার হার্টে একটি রিং বসানো হয়। হার্টের দুটি ব্লক এখনো রয়ে গেছে।

খালেদা জিয়া হার্টের সমস্যা, লিভারসিরোসিস ছাড়াও নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতা রয়েছে তার। কারাগার থেকে বেরোনোর পর চিকিৎসার জন্য কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।

এছাড়া চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। গত বছর ২২ আগস্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ পর ২৮ আগস্ট ফের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভর্তি করানো হয়। দুদিন হাসপাতালে থাকার পর ৩১ আগস্ট বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল  করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। এরপর কয়েক দফা তার দণ্ডাদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। কারাগার থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায়ই থাকছেন। তখন শর্ত দেওয়া হয়, তাকে দেশে থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে। এরপর বিভিন্ন সময় তাকে বিদেশ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। তবে তাতে সাড়া দেয়নি সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তিনি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

বুধবার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।বুধবার বিকেল ৬টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালের উদ্দেশে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান খালেদ জিয়া।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপির চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে কয়েক দিন থাকতে হতে পারে। এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১০ জুন রাত পৌনে তিনটার দিকে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছর ১০ জুন গভীর রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। পরে দ্রুত এনজিওগ্রাম করে তার হার্টে একটি রিং বসানো হয়। হার্টের দুটি ব্লক এখনো রয়ে গেছে।

খালেদা জিয়া হার্টের সমস্যা, লিভারসিরোসিস ছাড়াও নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতা রয়েছে তার। কারাগার থেকে বেরোনোর পর চিকিৎসার জন্য কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।

এছাড়া চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। গত বছর ২২ আগস্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ পর ২৮ আগস্ট ফের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভর্তি করানো হয়। দুদিন হাসপাতালে থাকার পর ৩১ আগস্ট বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল  করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। এরপর কয়েক দফা তার দণ্ডাদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। কারাগার থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায়ই থাকছেন। তখন শর্ত দেওয়া হয়, তাকে দেশে থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে। এরপর বিভিন্ন সময় তাকে বিদেশ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। তবে তাতে সাড়া দেয়নি সরকার।