ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পাঁচবিবিতে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

 

দবিরুল ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

“নিখোজের প্রায় ৫ মাস পর কলেজ ছাত্রের মরদেহ বাড়ির টিউবওয়েল এর পাশে গর্ত খুড়ে উদ্ধার” জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের মুলপরিকল্পনাকারী রেজ্জাকুল ও তার স্ত্রী সাবিনা র‍্যাব-৫ এবং র‍্যাব-১২ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে।
জয়পুরহাট র‍্যাব-৫ ক্যাম্পের প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া জেলা সদর থানার পীরগাছা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো,জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের মুলপরিকল্পনাকারী মোঃ রেজ্জাকুল আলী (৪৩),পিতা-মোঃ মোজাম্মেল আলী, সাং-গোপীনাথপুর, থানা-শিবগঞ্জ,জেলা-বগুড়া ও তার স্ত্রী মোছাঃ সাবিনা খাতুন (৩৮),স্বামী-মোঃ রেজ্জাকুল আলী (৪৩), সাং-গোপীনাথপুর,থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ঈদের দিন সন্ধ্যায় মোঃ নাঈম (২৩),পিতা-মোঃ মাসুদ রানা,সাং-ধরঞ্জী, থানা-পাঁচবিবি,জেলা-জয়পুরহাট বাড়ি থেকে বের হলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান না পেয়ে ২৫ এপ্রিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন নাঈমের পরিবার। নিখোজের প্রায় ৫ মাস পর গত ৯ সেপ্টেম্বর কলেজ ছাত্রের লাশ মোঃ শামসুল ইসলাম(৪২) ,পিতা-শুকুর আলী, সাং-ধরঞ্জী, থানা-পাঁচবিবি,জেলা-জয়পুরহাট এর বাড়ির টিউবওয়েল এর পাশে গর্ত খুড়ে উদ্ধার হলে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে । এ ঘটনায় র‍্যাব-৫,সিপিসি -৩ আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে এবং একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন উক্ত বাড়ির ভাড়াটিয়া রেজ্জাকুল দম্পতিদের বিরুদ্ধে। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডের আসামীসনাক্ত করতে সক্ষম হলে আসামী এরই মধ্যে আত্মগোপনে চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীদের অবস্থান বগুড়ায় নিশ্চিত করা যায় এবং পরবর্তীতে র‍্যাব -১২ বগুড়া ক্যাম্পের সহযোগিতায় আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাঁচবিবিতে কলেজ ছাত্র নাঈম হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

 

দবিরুল ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

“নিখোজের প্রায় ৫ মাস পর কলেজ ছাত্রের মরদেহ বাড়ির টিউবওয়েল এর পাশে গর্ত খুড়ে উদ্ধার” জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের মুলপরিকল্পনাকারী রেজ্জাকুল ও তার স্ত্রী সাবিনা র‍্যাব-৫ এবং র‍্যাব-১২ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে।
জয়পুরহাট র‍্যাব-৫ ক্যাম্পের প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া জেলা সদর থানার পীরগাছা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো,জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের মুলপরিকল্পনাকারী মোঃ রেজ্জাকুল আলী (৪৩),পিতা-মোঃ মোজাম্মেল আলী, সাং-গোপীনাথপুর, থানা-শিবগঞ্জ,জেলা-বগুড়া ও তার স্ত্রী মোছাঃ সাবিনা খাতুন (৩৮),স্বামী-মোঃ রেজ্জাকুল আলী (৪৩), সাং-গোপীনাথপুর,থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ঈদের দিন সন্ধ্যায় মোঃ নাঈম (২৩),পিতা-মোঃ মাসুদ রানা,সাং-ধরঞ্জী, থানা-পাঁচবিবি,জেলা-জয়পুরহাট বাড়ি থেকে বের হলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান না পেয়ে ২৫ এপ্রিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন নাঈমের পরিবার। নিখোজের প্রায় ৫ মাস পর গত ৯ সেপ্টেম্বর কলেজ ছাত্রের লাশ মোঃ শামসুল ইসলাম(৪২) ,পিতা-শুকুর আলী, সাং-ধরঞ্জী, থানা-পাঁচবিবি,জেলা-জয়পুরহাট এর বাড়ির টিউবওয়েল এর পাশে গর্ত খুড়ে উদ্ধার হলে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে । এ ঘটনায় র‍্যাব-৫,সিপিসি -৩ আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে এবং একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন উক্ত বাড়ির ভাড়াটিয়া রেজ্জাকুল দম্পতিদের বিরুদ্ধে। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডের আসামীসনাক্ত করতে সক্ষম হলে আসামী এরই মধ্যে আত্মগোপনে চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীদের অবস্থান বগুড়ায় নিশ্চিত করা যায় এবং পরবর্তীতে র‍্যাব -১২ বগুড়া ক্যাম্পের সহযোগিতায় আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়