ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে দেড় যুগ আগের বিবাদমান সংকীর্ণ রাস্তা প্রশস্ত করলেন মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩
  • / ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরসভায় দেড়যুগ আগের সংকীর্ণ রাস্তায় অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচলের উপযোগী করলেন বিরামপুরে পৌরসভার জননন্দিত মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী।

সোমবার (১৫ মে) সকাল ১১ টার দিকে বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ইসলামপাড়ায় দেড় যুগ আগের সংকীর্ণ রাস্তায় উপস্থিত হয়ে সকলের সাথে সুষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে অটো রিকশা ও ভ্যান চলাচলের উপযোগী প্রশস্ত রাস্তা সিসি ঢালায়ের সিদ্ধান্ত দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোজাফ্ফর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর ওবায়দুল মিনহাজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক, পৌরসভার প্রকৌশলী জামানসহ রাস্তার উভয় পাশের বাড়ির মালিকগন।উভয় পাশের বাসার মালিকগন বলেন, ‘রাস্তা প্রশস্ত করতে পৌর মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগ খুব ভালো লেগেছে। কোনো জোর খাটানো হচ্ছে না। তাই জনস্বার্থে আমরা বাসার মালিকগন সীমানা প্রাচীর নিজেই সড়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। রাস্তা বড় হলে সবার উপকার হবে।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ শুধু ৪ নং ওয়ার্ডের সড়কেই হচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে শহরের বিভিন্ন পাড়ার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। প্রশস্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গায় কারও বাসার সীমানাপ্রাচীর পড়েছে। কোথাও কবরস্থান পড়েছে। তাঁদের অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জায়গা দিচ্ছেন। অনেকের সঙ্গে মেয়র মহোদয় অধ্যাপক আক্কাস আলী বৈঠক করে সম্মতি নিয়েছেন।এর ফলে যেসব রাস্তা সংকীর্ণ ছিল এখন সে সমস্ত রাস্তা চওড়া হচ্ছে।এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী বলেন, ‘শহরের প্রধান রাস্তাগুলো এমনিতেই প্রশস্ত। এত দিন কিছু রাস্তা সংকীর্ণ ছিল। এগুলো বড় করার কাজে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, স্থানীয় লোকজন যে যেভাবে পারছেন সহযোগিতা করছেন। জানা যায়, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী আনসার মাঠসহ বাসস্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালে যাওয়ার জন্য এই রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতে হতো কারণ রাস্তাটি এতো সংকীর্ণ ছিল যে, মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়াও কষ্টকর। রাস্তাটির পশ্চিম পার্শ্ব প্রসস্ত থাকলেও পূর্ব পাশ ছিল সংকীর্ণ। অটো রিকশা ও ভ্যান প্রবেশ না করার কারণে প্রায় ৮০ টি পরিবার প্রতিনিয়ত ভোগান্তির স্বীকার হয়ে আসছিল।

বিগত ১৮ বছরে কেউই এই রাস্তার দিকে তাকায়নি। দির্ঘদিন এই রাস্তার অচলাবস্থা ছিল। বিভিন্ন সময়ের মেয়র কাউন্সিলরদের কাছে আবেদন করেও কোন লাভ হয়নি। বর্তমান পৌর মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী বলেন,আমি কথা দিয়েছিলাম নির্বাচিত হলে প্রথমে পৌরশহরের রাস্তা চলাচলের উপযোগী করবো।তাই ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোজাফ্ফর রহমানসহ সকলের সহযোগিতায় রাস্তার ঢালায়ের মাধ্যমে প্রশস্তের কাজ করেছি। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সকল বেহাল রাস্তার মেরামত সহ আধুনিক পৌরসভা করার চেষ্টা করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিরামপুরে দেড় যুগ আগের বিবাদমান সংকীর্ণ রাস্তা প্রশস্ত করলেন মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

ব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরসভায় দেড়যুগ আগের সংকীর্ণ রাস্তায় অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচলের উপযোগী করলেন বিরামপুরে পৌরসভার জননন্দিত মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী।

সোমবার (১৫ মে) সকাল ১১ টার দিকে বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ইসলামপাড়ায় দেড় যুগ আগের সংকীর্ণ রাস্তায় উপস্থিত হয়ে সকলের সাথে সুষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে অটো রিকশা ও ভ্যান চলাচলের উপযোগী প্রশস্ত রাস্তা সিসি ঢালায়ের সিদ্ধান্ত দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোজাফ্ফর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর ওবায়দুল মিনহাজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক, পৌরসভার প্রকৌশলী জামানসহ রাস্তার উভয় পাশের বাড়ির মালিকগন।উভয় পাশের বাসার মালিকগন বলেন, ‘রাস্তা প্রশস্ত করতে পৌর মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগ খুব ভালো লেগেছে। কোনো জোর খাটানো হচ্ছে না। তাই জনস্বার্থে আমরা বাসার মালিকগন সীমানা প্রাচীর নিজেই সড়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। রাস্তা বড় হলে সবার উপকার হবে।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ শুধু ৪ নং ওয়ার্ডের সড়কেই হচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে শহরের বিভিন্ন পাড়ার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। প্রশস্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গায় কারও বাসার সীমানাপ্রাচীর পড়েছে। কোথাও কবরস্থান পড়েছে। তাঁদের অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জায়গা দিচ্ছেন। অনেকের সঙ্গে মেয়র মহোদয় অধ্যাপক আক্কাস আলী বৈঠক করে সম্মতি নিয়েছেন।এর ফলে যেসব রাস্তা সংকীর্ণ ছিল এখন সে সমস্ত রাস্তা চওড়া হচ্ছে।এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী বলেন, ‘শহরের প্রধান রাস্তাগুলো এমনিতেই প্রশস্ত। এত দিন কিছু রাস্তা সংকীর্ণ ছিল। এগুলো বড় করার কাজে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, স্থানীয় লোকজন যে যেভাবে পারছেন সহযোগিতা করছেন। জানা যায়, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী আনসার মাঠসহ বাসস্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালে যাওয়ার জন্য এই রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতে হতো কারণ রাস্তাটি এতো সংকীর্ণ ছিল যে, মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়াও কষ্টকর। রাস্তাটির পশ্চিম পার্শ্ব প্রসস্ত থাকলেও পূর্ব পাশ ছিল সংকীর্ণ। অটো রিকশা ও ভ্যান প্রবেশ না করার কারণে প্রায় ৮০ টি পরিবার প্রতিনিয়ত ভোগান্তির স্বীকার হয়ে আসছিল।

বিগত ১৮ বছরে কেউই এই রাস্তার দিকে তাকায়নি। দির্ঘদিন এই রাস্তার অচলাবস্থা ছিল। বিভিন্ন সময়ের মেয়র কাউন্সিলরদের কাছে আবেদন করেও কোন লাভ হয়নি। বর্তমান পৌর মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী বলেন,আমি কথা দিয়েছিলাম নির্বাচিত হলে প্রথমে পৌরশহরের রাস্তা চলাচলের উপযোগী করবো।তাই ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোজাফ্ফর রহমানসহ সকলের সহযোগিতায় রাস্তার ঢালায়ের মাধ্যমে প্রশস্তের কাজ করেছি। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সকল বেহাল রাস্তার মেরামত সহ আধুনিক পৌরসভা করার চেষ্টা করবো।