ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে পানিতে ভাসছে কৃষক শাহিন মন্ডলের স্বপ্ন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

 

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের বিরামপুরে গত কয়েকদিনের টানা হালকা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাতের জন্য ক্ষেতে পানি জমায় পচনের হুমকিতে মরিচ, করলা, পটল, বেগুনসহ অন্যান্য সবজি ক্ষেত। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সবজি চাষিরা।
সবজি চাষিদের ভাষ্য, মরিচ, করলা, পটল, বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি ক্ষেতে সামান্য কিছুদিন পানি জমে থাকলে সবজি গাছগুলো লালচে হয়ে পচে যায়। তবে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর বলছে, এ মুহুর্তে বৃষ্টির কারণে সবজি ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পানি কমে গেলে সবজি ক্ষেতের তেমন ক্ষতি হবে না।
সরেজমিনে উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর, জোতবানী, কাটলা, মুকুন্দপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভার বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার নিচু এলাকার বেশিরভাগ সবজি ক্ষেত পানিতে রয়েছে। এতে মরিচ, করলা, পটল ও বেগুন গাছ লালচে রং হয়ে পচন ধরেছে। এতে সবজি চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি খরিপ মৌসুমে উপজেলায় ১১৬ হেক্টর জমিতে সবজি চাষাবাদ করা হয়েছে।
পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের কৃষক শাহিন মন্ডল বলেন ২ বিঘা জমিতে করলা এবং ১ বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করেছি।করলা চাষে প্রথম পর্যায়ে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।টানা হালকা বৃষ্টিপাতের জন্য জমিতে পানি জমে থাকায় করলা গাছের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, বর্তমানে বৃষ্টিপাতের জন্য খরিপ মৌসুমের সবজির ক্ষেতের সমস্য কিছুটা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় পানি যেন জমে না থাকে সে বিষয়ে কৃষকদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে পানিতে ভাসছে কৃষক শাহিন মন্ডলের স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

 

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের বিরামপুরে গত কয়েকদিনের টানা হালকা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাতের জন্য ক্ষেতে পানি জমায় পচনের হুমকিতে মরিচ, করলা, পটল, বেগুনসহ অন্যান্য সবজি ক্ষেত। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সবজি চাষিরা।
সবজি চাষিদের ভাষ্য, মরিচ, করলা, পটল, বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি ক্ষেতে সামান্য কিছুদিন পানি জমে থাকলে সবজি গাছগুলো লালচে হয়ে পচে যায়। তবে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর বলছে, এ মুহুর্তে বৃষ্টির কারণে সবজি ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পানি কমে গেলে সবজি ক্ষেতের তেমন ক্ষতি হবে না।
সরেজমিনে উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর, জোতবানী, কাটলা, মুকুন্দপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভার বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার নিচু এলাকার বেশিরভাগ সবজি ক্ষেত পানিতে রয়েছে। এতে মরিচ, করলা, পটল ও বেগুন গাছ লালচে রং হয়ে পচন ধরেছে। এতে সবজি চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি খরিপ মৌসুমে উপজেলায় ১১৬ হেক্টর জমিতে সবজি চাষাবাদ করা হয়েছে।
পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের কৃষক শাহিন মন্ডল বলেন ২ বিঘা জমিতে করলা এবং ১ বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করেছি।করলা চাষে প্রথম পর্যায়ে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।টানা হালকা বৃষ্টিপাতের জন্য জমিতে পানি জমে থাকায় করলা গাছের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, বর্তমানে বৃষ্টিপাতের জন্য খরিপ মৌসুমের সবজির ক্ষেতের সমস্য কিছুটা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় পানি যেন জমে না থাকে সে বিষয়ে কৃষকদের লক্ষ্য রাখতে হবে।