ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বিরামপুর উপজেলায় ১০৩ বছরের বৃদ্ধা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নিলেন নাতি বৌয়ের কাঁধে ভর করে কিশোর কিশোরীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও আলোকিত জীবন হিলিতে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন জয়পুরহাটে পুলিশ সুপার ম্যারাথন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জানালার গ্রিল ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক্টর দূর্ঘটনায় নিহত ২ পাঁচবিবিতে বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা হিলি সীমান্তে দুই বাংলার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হরিপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

বিরামপুরে পানের বরজ করে লাভবান কৃষক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

ধান, আলুসহ অন্যান্য ফসলের চেয়ে পান চাষ লাভজনক হওয়ায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে পান চাষ। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বেশকিছু গ্রামের মাঠে নিজ মেধা ও উদ্যোগে পান চাষ করে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন কৃষকরা। বিঘা প্রতি পানের বরজে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে পরবর্তী বছর থেকে প্রতি বছর লাভ করছেন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। এখানকার উৎপাদিত পান উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে ৭৫ ভাগ সরবরাহ করা হচ্ছে আশেপাশের বিভিন্ন জেলা গুলোতে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ২৩ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের গ্রামেই ৮৫ ভাগ পান চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার প্রায় ২৩টি পরিবার এই পান চাষের সঙ্গে জড়িত।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবিঘা জমির পানের বরজে মাটির আইল, বেড়া, ছাউনি, শ্রমিক, পানের লতাসহ এক লাখ টাকা প্রাথমিক অবস্থায় খরচ হয়। পরের বছর থেকে খরচ খুবই সামান্য হয়। কারণ একটি পানের বরজ তৈরি করার পর মাটির আইল, বেড়া, ছাউনি সংস্কার ছাড়া ৪০-৪৫ বছর পর্যন্ত পানের বরজ অক্ষুন্ন থাকে।

বর্তমানে পান এবং সুপারির বাজার অত্যাধিক হওয়ায় পানের বরজ করার পাশাপাশি পান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিরামপুর উপজেলা পশু হাটের সাথে অন্যান্য উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় প্রচুর পরিমাণে পানের আমদানি হয়। উপজেলায় চালানি পানের চাহিদা থাকলেও দেশী পান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য জেলায় চাহিদা পূরণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। সহজে পান বরজ থেকে পান উত্তোলন করা এবং সহজে বাজারজাত সুবিধা থাকায় কৃষকেরা পান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন।কাটলা ইউনিয়নের পানচাষী মোঃ লোকমান হোসেন ৬০ শতক,মোঃ আজমত আলী ৩৫ শতক,মোঃ আশির উদ্দিন ৩৫ শতক,মোঃ আতারুল ইসলাম ৫০ শতক,মোঃ আক্কাস আলী ২০ শতক জমিতে পানের বরজ করে লাভবান। এছাড়াও বিরামপুর ৭ নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের লক্ষিনারায়নপুর গ্রামের আমিনুল প্রথমে ৮ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করেন এতে লাভবান হওয়ায় আবারো ৮ শতাংশ জমিতে মোট ১৬ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করেন। তিনি জানান ৮ বছর ধরে পান চাষে জড়িত আছেন তিনি এবার আরো ১ বিঘা মাটিতে পানের চাষ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে পানের বরজ করে লাভবান কৃষক

আপডেট সময় : ০৫:১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

ধান, আলুসহ অন্যান্য ফসলের চেয়ে পান চাষ লাভজনক হওয়ায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে পান চাষ। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বেশকিছু গ্রামের মাঠে নিজ মেধা ও উদ্যোগে পান চাষ করে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন কৃষকরা। বিঘা প্রতি পানের বরজে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে পরবর্তী বছর থেকে প্রতি বছর লাভ করছেন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। এখানকার উৎপাদিত পান উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে ৭৫ ভাগ সরবরাহ করা হচ্ছে আশেপাশের বিভিন্ন জেলা গুলোতে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ২৩ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের গ্রামেই ৮৫ ভাগ পান চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার প্রায় ২৩টি পরিবার এই পান চাষের সঙ্গে জড়িত।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবিঘা জমির পানের বরজে মাটির আইল, বেড়া, ছাউনি, শ্রমিক, পানের লতাসহ এক লাখ টাকা প্রাথমিক অবস্থায় খরচ হয়। পরের বছর থেকে খরচ খুবই সামান্য হয়। কারণ একটি পানের বরজ তৈরি করার পর মাটির আইল, বেড়া, ছাউনি সংস্কার ছাড়া ৪০-৪৫ বছর পর্যন্ত পানের বরজ অক্ষুন্ন থাকে।

বর্তমানে পান এবং সুপারির বাজার অত্যাধিক হওয়ায় পানের বরজ করার পাশাপাশি পান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিরামপুর উপজেলা পশু হাটের সাথে অন্যান্য উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় প্রচুর পরিমাণে পানের আমদানি হয়। উপজেলায় চালানি পানের চাহিদা থাকলেও দেশী পান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য জেলায় চাহিদা পূরণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। সহজে পান বরজ থেকে পান উত্তোলন করা এবং সহজে বাজারজাত সুবিধা থাকায় কৃষকেরা পান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন।কাটলা ইউনিয়নের পানচাষী মোঃ লোকমান হোসেন ৬০ শতক,মোঃ আজমত আলী ৩৫ শতক,মোঃ আশির উদ্দিন ৩৫ শতক,মোঃ আতারুল ইসলাম ৫০ শতক,মোঃ আক্কাস আলী ২০ শতক জমিতে পানের বরজ করে লাভবান। এছাড়াও বিরামপুর ৭ নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের লক্ষিনারায়নপুর গ্রামের আমিনুল প্রথমে ৮ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করেন এতে লাভবান হওয়ায় আবারো ৮ শতাংশ জমিতে মোট ১৬ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করেন। তিনি জানান ৮ বছর ধরে পান চাষে জড়িত আছেন তিনি এবার আরো ১ বিঘা মাটিতে পানের চাষ করবেন।