ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬টির মধ্যে ৪টি নৌকা ও ২ টিতে কলার ছড়ির জয়

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংসদীয় ৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রতীকে ৪ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তার কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর শুরু হয় গণনা।

জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে জয়ী হয়েছেন কলার ছড়া প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ একরামুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সংসদ সদস্য বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯১ ভোট। এই আসনের নির্বাচনে ৫৪ দশমিক ৬১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কলারছড়ি প্রতীকের মঈন উদ্দিন। তিনি ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ভোট। নির্বাচনে মোট ৩৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি এক লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এ নিয়ে চতুর্থ বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও কেচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ ভোট। নির্বাচনে মোট ৩৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনে দুই লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে তৃতীয়বারে মত বিজয়ী হয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীন খান পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৮৬ ভোট। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনে মোট ৩৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদল। তিনি এক লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মোবারক হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৮ ভোট।নির্বাচনে মোট ৪০ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ( বাঞ্চারামপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন(অবঃ) এ বি এম তাজুল ইসলাম এমপি। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আমজাদ হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৭ ভোট। নির্বাচনে মোট ৭৬ দশমিক ০০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

উল্লেখ্য দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনে ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ২৯ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫ জন। আর ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ জন এবং ভোট কেন্দ্র ৭৬১ টি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬টির মধ্যে ৪টি নৌকা ও ২ টিতে কলার ছড়ির জয়

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংসদীয় ৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রতীকে ৪ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তার কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর শুরু হয় গণনা।

জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে জয়ী হয়েছেন কলার ছড়া প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ একরামুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সংসদ সদস্য বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯১ ভোট। এই আসনের নির্বাচনে ৫৪ দশমিক ৬১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কলারছড়ি প্রতীকের মঈন উদ্দিন। তিনি ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ভোট। নির্বাচনে মোট ৩৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি এক লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এ নিয়ে চতুর্থ বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও কেচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ ভোট। নির্বাচনে মোট ৩৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনে দুই লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে তৃতীয়বারে মত বিজয়ী হয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীন খান পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৮৬ ভোট। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনে মোট ৩৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদল। তিনি এক লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মোবারক হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৮ ভোট।নির্বাচনে মোট ৪০ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ( বাঞ্চারামপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন(অবঃ) এ বি এম তাজুল ইসলাম এমপি। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আমজাদ হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৭ ভোট। নির্বাচনে মোট ৭৬ দশমিক ০০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

উল্লেখ্য দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনে ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ২৯ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫ জন। আর ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ জন এবং ভোট কেন্দ্র ৭৬১ টি।